PaperBack | ISBN: 978-81-970030-9-7 | POETRY
Cover - Subir Mondal
বইকথা -
কবি অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায় নির্জন নিভৃতের কবিতা সাধক। হিমশীতল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গরলকে গরল বলার দুঃসাহস বুকে নিয়েই তার কবিতা যাপন। গত তিরিশ বছর ধরে শুধু কবিতার জন্য কন্টকাকীর্ণ পথে তার নগ্নপদ হেঁটে চলা। তার কবিতা শুধু নিজস্ব মননশীলতার প্রদর্শনী নয়। সহজসরল ভাষায় সহজবোধ্য কবিতা লেখাই কবির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ব্যক্তিস্বার্থকে স্ট্রেইট ব্যাটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে কবি শেষ পর্যন্ত গেয়ে উঠেন জীবনের জয়গান। জানুন, চিনুন, পড়ুন কবিতার অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের 'কঙ্কালতন্ত্র'।
কবি পরিচিতি -
অনির্বাণ চ্যাটার্জির “কঙ্কালতন্ত্র” কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হবে জেনে খুব খুশি হলাম। অনির্বাণ নব্বই দশকের কবি। ওর কবিতায় সমাজ সচেতনতা আমাকে মোহিত করে। অনির্বাণ তার কবিতায় যেন কারুর সাথে কথা বলে চলে। এ এক অদ্ভুত ওর শৈলী। যা একেবারেই ওর নিজস্ব। পরিচয়, ইসক্রা, কবি কর্ণিকা ইত্যাদি অসংখ্য লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখে চলেছে। কবি যে যন্ত্রণা থেকে লেখেন তা তার একটা কবিতা উল্লেখ করলেই পাঠক বুঝতে পারবেন। “আমাকে বিক্রি করতে করতে আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি...” (নিঃস্ব)। আবার তার সমাজ সচেতনতার একটা উদাহরণ দিই। “পৃথিবীকে বলেছিলুম, জন্ম যখন দিলে / ধন, রত্ন, ঘর, বাড়ি না দাও শান্তি দিও।” (বাজাও আমায় বাজাও)। কবি অনির্বাণ গল্পও লেখেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে ওর কবিতার একজন একনিষ্ঠ পাঠক। অযথা কঠিন শব্দ ব্যবহার না করে অত্যন্ত পরিচিত শব্দে কবিতা লেখা খুব কঠিন। কিন্তু অনির্বাণ খুব সহজে এটা আয়ত্তে এনেছে। আমি মনে করি “কঙ্কালতন্ত্র” পাঠক মহলে সমাদৃত হবে।